লিওনেল মেসি সম্পর্কে কিছু অজানা তথ্য

ফুটবলের রাজা লিওনেল মেসি৷ মেসিকে নিয়ে ভক্তদের জানার কোনো শেষ নেই। ছোটবেলা থেকে শুরু করে বর্তমান সময়ের ঘটনাবলী জানতে আগ্রহের কমতি নেই। ক...


ফুটবলের রাজা লিওনেল মেসি৷ মেসিকে নিয়ে ভক্তদের জানার কোনো শেষ নেই। ছোটবেলা থেকে শুরু করে বর্তমান সময়ের ঘটনাবলী জানতে আগ্রহের কমতি নেই। কি সেই ঘটনাবলী তা জানতে চোখ রাখুন। জেনে নিন মেসি-সংক্রান্ত অন্যরকম তথ্য।

১) মেসির ছোটবেলার কোচের নাম কার্লোস মার্কোনি৷

২) ছোটবেলায় লিও ভালোবাসতেন চকোলেট কুকি, ‘আলফাখোরেস’৷ মার্কোনি তাকে বলতেন, একটা গোল করলেই একটা চকোলেট কুকি দেবেন৷ চার গোল করলে চারটি কুকি৷

৩) উচ্চতা কম বলে হেড করতে ভালোবাসতেন না মেসি৷ মার্কোনি তাকে বলতেন, হেডে গোল করলেই মিলবে দুটো কুকি৷ মেসি ডিফেন্ডার, গোলকিপারকে কাটিয়ে গোলের কাছে গিয়ে বল উঁচুতে মেরে হেড করতেন৷ তারপর ইঙ্গিতে কোচকে বলতেন, দুটো কুকি রাখতে৷

৪) লিওনেল মেসির মাঝের নাম হলো আন্দ্রেস৷ তার বাবা মা ‘আন্দ্রেস’ রাখেন ইতালিয়ান পূর্বপুরুষের কথা ভেবে৷

৫) তিন থেকে ছয় বছর টানা, প্রতিদিন তাকে নিতে হত ইঞ্জেকশন৷ হরমোন সমস্যার জন্য৷

৬) এত লাজুক ছিলেন মেসি, স্পেনে এসে প্রথমে কথা বলতেন না৷ লা মাসিয়ায় তার সতীর্থরা ভেবেছিলেন, তিনি বোবা৷

৭) ইতালিতে এক টুর্নামেন্ট খেলতে গিয়ে প্লে স্টেশন খেলার ফাঁকে জানা যায়, তিনি কথা বলতে পারেন৷

৮) তার বাবার সঙ্গে বার্সার ডিরেক্টরের প্রথম চুক্তি হয় এক রেস্তোরাঁর ন্যাপকিনে৷ সেটা আছে কিনা, কেউ জানে না৷

৯) মেসি এখনো তার রোসারিওর বন্ধুদের টেক্সট মেসেজের মাধ্যমে যোগাযোগ রাখেন৷

১০) এমনিতে কথা বলেন না৷ কিন্ত্ত ২০০৯ সালে লা লিগা জিতে পানীয়তে আসক্ত হয়েছিলেন। সমর্থকদের সামনে কাতালান ভাষায় কথা বলতে শুরু করেন৷

১১) যে শহরে জন্মেছেন মেসি, বিশ্বজুড়ে সেই শহরের সবচেয়ে পরিচিত মুখ তিনি নন, চে গেভারা৷

১২) মেসির সঙ্গে রোসারিওর পুরনো ক্লাব নিওয়েল ওল্ড বয়েজের ঝামেলা ছিল৷ ঝামেলা মেটে মেসি ক্লাবের ডর্মেটরি ও জিম বানানোর জন্য বিশাল অর্থ দেয়ায়৷

১৩) ঝামেলা মেটার পরই ক্লাব মেসির ছেলের জন্য সদস্য কার্ডের ব্যবস্থা করে৷

১৪) রোসারিওর হাসপাতালের ক্যান্সার বিভাগের জন্য ৬ লাখ ইউরো দেন মেসি৷

১৫) সেরেনা উইলিয়ামসের জন্য ইউনিসেফের এক প্রচারে মেসি অংশ নেন৷ স্কুলে না পড়া ছেলেমেয়েদের জন্য৷

১৬) এনবিএ সুপারস্টার কোবে ব্রায়ান্টের সঙ্গে এক বিজ্ঞাপনে অংশ নেন তুরস্কের এয়ারলাইন্সের জন্য৷ রজার ফেডেরারের সঙ্গে জিলেটের বিজ্ঞাপন করেছেন তিনি৷

১৭) মেসিকে ফুটবলে আনেন ঠাকুমা সেলিয়া৷ গোলের পরে বুকে ক্রস এঁকে মেসি আকাশের দিকে তাকান ঠাকুমার স্মৃতিতেই৷

১৮) বান্ধবী আন্তোনেইয়া বাদে মেসির সঙ্গে যে তরুণীর নাম যুক্ত হয়, তিনি আর্জেন্টিনার বিখ্যাত মডেল লুসিয়ানা সালাজার

১৯) রোসারিওর মেয়ে মারারেনা লেমসের সঙ্গেও জড়িয়ে যায় মেসির নাম৷ যার সঙ্গে আলাপ হয় ২০০৬ বিশ্বকাপের আগে৷

২০) ২০০৯ সালে আন্তোনেইয়ার সঙ্গে প্রেমের কথা প্রকাশ্যে আনেন মেসি৷ এক টিভি শো তে৷

২১) জাপানি স্বর্ণ ব্যবসায়ী গিঞ্জা তাকানা মেসির বাঁ পায়ের মাপে ২৫ কেজির সোনার পা বানান৷ দাম হয় সাড়ে ৫২ লাখ ডলার৷

২২) মেসির দুই তুতো ভাই ম্যাক্সি ও ইমানুয়েল বিয়ানকুচি ফুটবল খেলেন৷ এবং সেটা ব্রাজিলের বাহিয়া ও ভাস্কো ক্লাবে৷

২৩) মেসির রোসারিওর বাড়িতে কেউ থাকে না৷ কিন্ত্ত বাড়িটা এখনো রেখে দিয়েছেন তারা৷ মা থাকেন শহরের এক অভিজাত এলাকায় পেন্টহাউসে।

২৪) বাবা-মাকে এত ভালোবাসতেন, একবার জাতীয় টিমের প্র্যাক্টিস বুয়েনস আইরেসে করে তিন ঘণ্টা গাড়ি চালিয়ে আসেন রোসারিও৷ ডিনার করতে৷ রাতে থেকে আবার সকালে বুয়েনস আইরেস যান প্র্যাক্টিসে৷

২৫) নিজের ছোটবেলার শরীর খারাপের কথা ভেবে ২০০৭ সালে লিও মেসি ফাউন্ডেশন গড়েন৷ আর্জেন্টিনার গরিব শিশুদের চিকিত্‍সার জন্য৷

২৬) তার ছেলে তিয়াগোর প্রথম জন্মদিনে ইউনিসেফের জন্য এক অনুষ্ঠানে অংশ নেন মেসি৷

২৭) মেসির ছোটবেলার আদর্শ ছিলেন ব্রাজিলের রোনালদো৷ আর ভালো লাগত জিদান, রিভাল্দো, রোনাল্দিনহোর খেলা

২৮) মেসির ছেলেবেলার সবচেয়ে প্রিয় খাবার ছিল মিলানেসা লা নাপোলিতানা৷ চিজ ও টমেটো সস দিয়ে বিফ কাটলেট৷ মা সপ্তাহে অনেকদিন বানিয়ে দিতেন৷

লিও মেসির জানা-অজানা ছয়

লিও মেসির জানা-অজানা ছয়

#এক. মেসি ইতালিয়ান!

মেসিকে নিয়ে গর্ব করতে পারে ইতালি। হতাশাও প্রকাশ করতে পারে ইতালি। গর্ব, কারণ মেসির দেহে আছে ইতালিয়ান রক্ত। হতাশা, কারণ মেসি ইতালির হয়ে তো আর খেলেন না! মেসির পূর্বপুরুষেরা ইতালির আনকোনার অধিবাসী ছিলেন। ১৮৮৩ সালে ভাগ্যের সন্ধানে অ্যাঞ্জেলো মেসি চলে আসেন আর্জেন্টিনায়।

#দুই. গ্রান্দোলিতে শুরু

মেসির প্রথম ক্লাব হিসেবে নিউয়েলস ওল্ড বয়েজের কথা লেখা হয়। সেটা একদিক দিয়ে ঠিকই আছে। এখানে যুবদলে খেলেই পরে বার্সেলোনার বিখ্যাত ‘খামার বাড়ি’তে যাত্রা। তবে একেবারে নির্ভুল তথ্য চাইলে মেসির প্রথম ক্লাবটির নাম কিন্তু গ্রান্দোলি। রোজারিওর এই অপেশাদার ছোট্ট ক্লাবটি ছিল আসলে মেসির বাবা হোর্হের। সেখানেই পাঁচ বছর বয়সে শুরু করেছিলেন আজকের এই মহা তারকাটি।

#তিন. কষ্টের শৈশব

শখের ফুটবল কোচ হলেও এ দিয়ে জীবন ধারণ করা সম্ভব ছিল না হোর্হের, সম্ভব ছিল না পরিবারের চাওয়া পূরণ করা। আর তাই কারখানার শ্রমিক হিসেবে কাজ করতে হয়েছে হোর্হেকে। মেসির মা সেলিয়াও খণ্ডকালীন পরিচ্ছন্নতাকর্মীর কাজ করেছেন। ১১ বছর বয়সে মেসির গ্রোথ হরমোনের ঘাটতির অসুখ ধরা পড়ে। মাসে ৯০০ ডলারের ব্যয়বহুল এই চিকিত্সার ব্যয় মেটানো সম্ভব ছিল না মেসির পরিবারের পক্ষে।

#চার. ন্যাপকিনেই ইতিহাস!

স্পেনের লেইদায় মেসির কিছু আত্মীয়স্বজন থাকতেন। তাঁদের মাধ্যমেই বালক মেসির অবিশ্বাস্য প্রতিভার খবর পান বার্সার তখনকার ক্রীড়া পরিচালক কার্লেস রেক্সাস। অবশেষে মেসিকে ট্রায়ালে দেখতে রাজি হন। মেসিকে বার্সা নেবেই—এমন কোনো প্রস্তুতি সম্ভবত ছিল না রেক্সাসের। কারণ, বালক মেসির ফুটবল-ঝলক দেখার পর তাকে সঙ্গে সঙ্গে সই করানোর জন্য কোনো দলিল-দস্তাবেজ তো দূরের কথা, কোনো কাগজই ছিল না। কিন্তু কাগজের জন্য অপেক্ষা করতে আর তর সইছিল না রেক্সাসের। সঙ্গে থাকা ন্যাপকিনেই মেসির বাবার সঙ্গে চুক্তি করে ফেলেন তিনি! মেসির চিকিত্সার সমস্ত ব্যয়ভারও গ্রহণ করে বার্সা।

#পাঁচ. ভালোবাসার নাম আর্জেন্টিনা

মেসির নামের পাশে এত এত প্রাপ্তি। চার-চারবারের ফিফা বর্ষসেরা হয়েছেন। কিন্তু তার পরও তাঁর আক্ষেপের শেষ নেই। আরধ্য বিশ্বকাপ যে জেতেননি। মেসির নামের পাশে কিন্তু বিশ্বকাপ থাকতেই পারত। সেটি তিনি জিতে যেতেন ২০১০ বিশ্বকাপেই! যদি স্পেনের জাতীয় দলের প্রস্তাবটিতে ‘হ্যাঁ’ বলে দিতেন। ২০০০ সালে বার্সেলোনায় চলে আসেন মেসি। সিনিয়র দলে অভিষেক ২০০৪ সালে। এরই মধ্যে মেসি প্রস্তাব পেয়েছিলেন স্পেনের জাতীয় দলের হয়ে খেলার জন্য। কিন্তু মেসি ঠিক করেন স্পেন নয়, তিনি খেলবেন নাড়িপোঁতা আর্জেন্টিনার হয়েই। মেসি অবশ্য পরে স্পেনের নাগরিকত্বও নিয়েছেন। ২০০৫ সাল থেকে তাঁর দুটো পাসপোর্ট।

#ছয়. দাতা মেসি

রিয়াল মাদ্রিদকে ৬-২ গোলে বিধ্বস্ত করা সেই এল ক্লাসিকোতে দুটো গোল করেছিলেন মেসি। দুটো গোলের পরই জার্সির নিচের টি-শার্টটি উঁচিয়ে ধরে উদযাপন করেছিলেন। যেখানে লেখা ছিল, ‘ফ্র্যাজাইল এক্স সিনড্রোম’। অটিজমের জন্য দায়ী এই অসুখের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে মেসি আর্থিক সাহায্য দিয়ে থাকেন। এ ছাড়া সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য গঠন করেছেন লিও মেসি ফাউন্ডেশন। আয়ের একটা বড় অংশ মেসি দান করেন এ সব দাতব্য কাজে।

বিখ্যাত মেসি’র জীবনের যে অজানা তথ্যগুলো চমকে দিতে পারে আপনাকে

বিখ্যাত মেসি’র জীবনের যে অজানা তথ্যগুলো চমকে দিতে পারে আপনাকে

আর্জেন্টিনীয় ফুটবলার মেসিকে কে না চেনে বলুন? আর্জেন্টিনা হোক কিংবা বার্সেলোনারই হোক, মেসি ভক্তরা কখনই মেসির খেলা মিস করেন না। মেসি মাঠে নামলেই যেন খেলার মোর ঘুরে যায় মুহূর্তেই। আর তাই মেসিকে ফুটবলের জাদুকর বলে থাকেন অনেকেই। মেসির জীবন সম্পর্ককেও ভক্তদের জানার আগ্রহের শেষ নেই। তাই মেসির জীবনের কিছু অজানা বিষয় নিয়েই এই ফিচার। জেনে নিন মেসির জীবনের অজানা ১২টি তথ্য সম্পর্কে।

১) মেসি ইতালিয়ান বংশোদ্ভূত একটি মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্মগ্রহন করেছিলেন। তার বাবা একটি ফ্যাক্টরিতে কাজ করতেন আর মা ছিলেন পার্ট টাইম ক্লিনার।

২) মেসি ছোটবেলায় এতোটাই লাজুক ছিলেন যে প্রথম পরিচয়ে অনেকেই তাকে বোবা কিংবা অটিস্টিক ভাবতেন। এমনকি তার শিক্ষকরা তাকে মানসিক ডাক্তার দেখানোর পরামর্শও দিয়েছিলেন।

৩)১১ বছর বয়সে মেসির শরীরে গ্রোথ হরমোন জনিত জটিলতা দেখা দেয়। কিন্তু তার বাবা মায়ের সেটার চিকিৎসা করার মত সামর্থ্য ছিলো না। এই চিকিৎসার খরচ ছিলো প্রতিমাসে প্রায় ৯০০ ডলার।

৪)মেসি এবং আর্জেন্টিনার বিখ্যাত চে গুয়েভারার জন্মস্থান একই। তাঁরা দুজনেই আর্জেন্টিনার রোজারিওতে জন্মগ্রহন করেছিলেন।

৫) বার্সেলোনার সাথে মেসির প্রথম চুক্তি লেখা হয়েছিলো কিসে জানেন? একটি টিস্য পেপারে! বার্সেলোনার স্পোর্টিং ডিরেক্টর কার্লেস রেক্সাচ মেসির প্রতিভা দেখে এতোটাই মুগ্ধ হয়েছিলেন যে তখনই চুক্তি করিয়ে নিতে চেয়েছিলেন। হাতের কাছে কোনো কাগজ না পাওয়াতে টিস্যু পেপারেই লিখিত চুক্তি করে ফেলেন তিনি।

৬) বার্সেলোনা মেসির ফুটবলের কারুকাজ দেখে মুগ্ধ হয়ে তাকে ক্লাবে নেয় এবং তার পারিশ্রমিক হিসেবে মেসির চিকিৎসার পুরো ব্যয়ভার নিয়ে নেয়। মেসির বাবা মা এই সময়ে আর্জেন্টিনা থেকে স্পেনে চলে আসে।

৭)মেসিকে স্পেনের জাতীয় দলের হয়ে খেলার প্রস্তাব দেয়া হয়েছিলো। কিন্তু মেসি সেই প্রস্তাব নাকোচ করে দেয়। কারণ মেসির স্বপ্ন ছিলো আর্জেন্টিনার নীল সাদা জার্সি পরে খেলার। ২০০৪ সালে প্রথমবার সেই সুযোগটা পেয়েছিলো মেসি।

৮)মেসির দুই দেশের দুটি পাসপোর্ট আছে। একটি আর্জেন্টিনার ও একটি স্পেনের। ২০০৫ সালের সেপ্টেম্বরে স্পেনের নাগরিকত্ব পায় এই তারকা।

৯)মেসির বার্সেলোনা ও আর্জেন্টিনার জার্সির নম্বর ১০। বার্সেলোনায় মেসির আগে ১০ নম্বর জার্সিটি পরতেন আরেক কিংবদন্তী ব্রাজিলিয়ান খেলোয়াড় রোনালদিনিও।

১০) মেসি তার প্রতিষ্ঠিত লিও মেসি ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে অনেক চ্যারিটিতেই অনুদান দেন। শুধু তাই নয় তিনি সাহায্য করেন Fragile X Syndrome এ আক্রান্ত অটিস্টিক শিশুদেরকেও। তিনি ইউনিসেফেরও একজন অ্যাম্বেসেডর।

১১) প্রায় প্রতিটি গোল করেই তিনি আকাশের দিকে আঙ্গুল উচু করেন কেন জানেন? কারণ তিনি তার গোল গুলোকে উৎসর্গ করেন তার প্রয়াত দাদীকে। তার দাদী তাকে ফুটবলের অনুপ্রেরণা যুগিয়েছিলেন এবং মেসির যখন ১০ বছর বয়স তখন তিনি মৃত্যুবরণ করেন যা মেসির মনে আজও দাগ কেটে আছে।

১২) ব্রাজিল আর্জেন্টিনা দিয়ে যতই দ্বন্দ থাকুক, মেসির সবচাইতে কাছের বন্ধুদের সবাই ব্রাজিলিয়ান। বিশেষ করে বার্সেলোনায় আসার পরে ডেকো এবং রোনালদিনিও ছিলেন তার সবচাইতে কাছের বন্ধু। ডেকোর জার্সি ছিলো ২০ এবং রোনালদিনিও এর জার্সি ছিলো ১০। এই দুটির যোগফল হয় ৩০। তাই তিনি প্রথমে ৩০ নম্বর জার্সি বেছে নিয়েছিলেন।

সূত্র– গোল ডটকম

COMMENTS

নাম

আপডেট নিউজ,31,ইউটিউব চ্যানেল,1,ফলাফল,9,বার্সা ফ্যান পোস্ট,3,মেসির ফ্যান পোস্ট,29,সিডিউল,12,
ltr
item
Messi Fans Group in Bangladesh™: লিওনেল মেসি সম্পর্কে কিছু অজানা তথ্য
লিওনেল মেসি সম্পর্কে কিছু অজানা তথ্য
http://1.bp.blogspot.com/-DMzjBUlqqCg/Vd_00rsg3CI/AAAAAAAAABg/_AyqmEW6DWg/s320/10152347838564305.jpg
http://1.bp.blogspot.com/-DMzjBUlqqCg/Vd_00rsg3CI/AAAAAAAAABg/_AyqmEW6DWg/s72-c/10152347838564305.jpg
Messi Fans Group in Bangladesh™
http://www.bdmessi.com/2015/08/blog-post_4.html
http://www.bdmessi.com/
http://www.bdmessi.com/
http://www.bdmessi.com/2015/08/blog-post_4.html
true
8921102524985002529
UTF-8
Loaded All Posts Not found any posts VIEW ALL Readmore Reply Cancel reply Delete By Home PAGES POSTS View All RECOMMENDED FOR YOU LABEL ARCHIVE SEARCH ALL POSTS Not found any post match with your request Back Home Sunday Monday Tuesday Wednesday Thursday Friday Saturday Sun Mon Tue Wed Thu Fri Sat January February March April May June July August September October November December Jan Feb Mar Apr May Jun Jul Aug Sep Oct Nov Dec just now 1 minute ago $$1$$ minutes ago 1 hour ago $$1$$ hours ago Yesterday $$1$$ days ago $$1$$ weeks ago more than 5 weeks ago Followers Follow THIS CONTENT IS PREMIUM Please share to unlock Copy All Code Select All Code All codes were copied to your clipboard Can not copy the codes / texts, please press [CTRL]+[C] (or CMD+C with Mac) to copy